1. admin@snb24bd.com : admin :
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দীর্ঘ ৩ যুগ ধরে মসজিদের ইমামতি করে কৈখাইড় গ্রামবাসীর ভালবাসায় সিক্ত মাওলানা মোঃ জয়নুল আবেদীন খান (মানিক) নবীগঞ্জে পূজামন্ডপের সামনে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ওসিকে দেখতে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক ফোরাম (BNJF) নেতৃবৃন্দ সুনামগঞ্জ সদর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ১৭ ইউনিয়নের নির্বাচন ২৮ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলা দুইটি উপজেলাতে ২১ টি ইউনিয়ন নির্বাচন ২৮ নভেম্বর সিলেটে তিনদিনে মৃত্যু নেই করোনায়: শনাক্ত ৩ দৃষ্টিপাত সম্পাদকের সহধর্মিনীর ও পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগরে দোয়া অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জে মাদকসহ দুই ভাই গ্রেপ্তার সিংড়ায় জাতীয় শ্রমিকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃত্বের তুঙ্গে আরিফুল ইসলাম গোমস্তাপুরে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চ মূল্য,সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ

মোংলায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস পরবর্তী জলোচ্ছ্বাস অব্যাহত উপকূলের মানুষ দুভোর্গে

এরশাদ হোসেন রনি মোংলা প্রতিনিধি
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১
  • ৯১ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 


মোংলায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস পরবর্তীতে জলোচ্ছ্বাস অব্যাহত থাকায় উপকূলের মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। ২৭ মে বৃহস্পতিবার দিনের বেলায় স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি ৬ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধিতে তিন ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের সাড়ে ৬শো পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার ও খিচুড়ি বিতরণ করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধি এবং উপকূলবাসীর টেকসই ভেড়ী বাঁধ নির্মানের দাবী। প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাগণের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন।

চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী এলাকা হওয়ায় ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস এবং বর্ষা মৌসুমের ভরা কঠালের জোয়ারে গ্রাম তলিয়ে যায়। টেকসই ভেড়ী বাঁধ নির্মান হলে উপকূলীয় এলাকা জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পেতে পারে। দক্ষিণ কাইনমারি গ্রামের কণিকা মন্ডল বলেন জোয়ারের পানিতে সব জায়গায় লবণ পানি প্রবেশ করায় পানীয় জলের সংকটে পড়েছি। এছাড়া জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী অধিকাংশ বাড়ীতে রান্না করার পরিবেশ নেই। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর নেত্রী কমলা সরকার বলেন সুন্দরবন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে। এছাড়া সুন্দরবন এবং উপকূল অঞ্চল নিয়ে পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনেরও দাবী জানান বাপা নেত্রী কমলা সরকার। ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও তার প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস বিষয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার কমলেশ মজুমদার বলেন মোংলা উপজেলার তিন ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের সাড়ে ৬শো পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ৬৮৫টি চিংড়ি ঘের তলিয়ে গেছে। চিংড়ি ঘেরের ক্ষতির পরিমান হবে আনুমানিক ২০ লাখ টাকা। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার ও খিচুড়ি বিতরণ চলমান আছে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তীতে বৃহস্পতিবারও স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৬ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। জনপ্রতিনিধি এবং এলাকাবাসীর টেকসই ভেড়ী বাঁধের দাবী লিখিত ভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাগণ ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার কমলেশ মজুমদার, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোঃ নূর আলম শেখ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এ আনোয়ার উল কুদ্দুস, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সবুজ বৈরাগী, চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম, বিএএসডি’র এডওয়ার্ড এলিও মধু প্রমূখ।##


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © ২০২১ SNB 24 BD
Theme Customized BY Theme Park BD